<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ইসলাম ডট কম ডট বিডি</title>
	<atom:link href="http://islam.com.bd/blog/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://islam.com.bd/blog</link>
	<description>www.islam.com.bd</description>
	<lastBuildDate>Thu, 21 Jan 2010 17:37:37 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://sslblog.org/?v=2.9.1</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>ইজতেমা প্রতিদিন: একটি চমৎকার উদ্যোগ</title>
		<link>http://islam.com.bd/blog/archives/31</link>
		<comments>http://islam.com.bd/blog/archives/31#comments</comments>
		<pubDate>Thu, 21 Jan 2010 17:37:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>abu soaib</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://islam.com.bd/blog/?p=31</guid>
		<description><![CDATA[খুবই চমৎকার উদ্যোগ-ধারণ-পরিকল্পনা নিয়ে তারুণ্যের উদ্দামতায় সিক্ত হয়ে আগামীকাল শুক্রবার কাক-ডাকা সকাল  থেকেই বের হতে যাচ্ছে  &#8216; ইজতেমা প্রতিদিন&#8217;। চার দিনে চার সংখ্যা, যেখানে থাকবে ইজতেমা বিষয়ক সবকিছু। মিডিয়া সংলগ্ন তারুণ্যের এ উদ্যোগ-প্রেরণা তুরাগতীরে নতুন ইতিহাস রচনা করুক এই আমার প্রত্যাশা। 
]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>খুবই চমৎকার উদ্যোগ-ধারণ-পরিকল্পনা নিয়ে তারুণ্যের উদ্দামতায় সিক্ত হয়ে আগামীকাল শুক্রবার কাক-ডাকা সকাল  থেকেই বের হতে যাচ্ছে  &#8216; ইজতেমা প্রতিদিন&#8217;। চার দিনে চার সংখ্যা, যেখানে থাকবে ইজতেমা বিষয়ক সবকিছু। মিডিয়া সংলগ্ন তারুণ্যের এ উদ্যোগ-প্রেরণা তুরাগতীরে নতুন ইতিহাস রচনা করুক এই আমার প্রত্যাশা। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://islam.com.bd/blog/archives/31/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মুসলিম বিশ্বে সুইজারল্যান্ডকে বয়কট করার প্রস্তুতি</title>
		<link>http://islam.com.bd/blog/archives/29</link>
		<comments>http://islam.com.bd/blog/archives/29#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 20 Jan 2010 20:26:47 +0000</pubDate>
		<dc:creator>abu soaib</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://islam.com.bd/blog/?p=29</guid>
		<description><![CDATA[জার্মান চলচ্চিত্র প্রযোজক ফাতিহ আকিন সুইজারল্যান্ডের জিউরিখে অনুষ্ঠিত চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ বর্জন করেন সুইজারল্যান্ডের মিনার বিষয়ক গণভোটের প্রতিবাদে, যাতে ৫৭.5% সুইস জনতা মসজিদের মিনার নির্মাণ নিষিদ্ধ করার পক্ষে ভোট দেন।
অন্যদিকে, একই সময়ে, ইসলামিক অরগানাইজেশন ফর এডুকেশন, সাইন্স এন্ড কালচার ( ইসিসকো) গত ৪/১২/২০০৯ তারিখে, সুইজারল্যান্ডের সাথে মুসলিম বিশ্বের বাণিজ্যিক ও পর্যটনকেন্দ্রিক সম্পর্ক কর্তন এবং সুইস [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>জার্মান চলচ্চিত্র প্রযোজক ফাতিহ আকিন সুইজারল্যান্ডের জিউরিখে অনুষ্ঠিত চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ বর্জন করেন সুইজারল্যান্ডের মিনার বিষয়ক গণভোটের প্রতিবাদে, যাতে ৫৭.5% সুইস জনতা মসজিদের মিনার নির্মাণ নিষিদ্ধ করার পক্ষে ভোট দেন।<br />
অন্যদিকে, একই সময়ে, ইসলামিক অরগানাইজেশন ফর এডুকেশন, সাইন্স এন্ড কালচার ( ইসিসকো) গত ৪/১২/২০০৯ তারিখে, সুইজারল্যান্ডের সাথে মুসলিম বিশ্বের বাণিজ্যিক ও পর্যটনকেন্দ্রিক সম্পর্ক কর্তন এবং সুইস ব্যাংক থেকে মুসলমানদের অর্থ সরিয়ে আনার  ব্যাপারে হুমকি দেন যদি সুইস সরকার এ গনভোটের ফলাফলকে আইনী রূপদানের পথে এগিয়ে যায়।<br />
জার্মান চলচ্চিত্র প্রযোজক আকিন ফরাসির একটি বার্তাসংস্থাকে দেয়া উন্মুক্ত বক্তব্যে বলেন’ এই গণভোটের ফলাফল মানবিক মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক, সহনশীলতা, বিভিন্ন বেকগ্রাউন্ড ও জাতি-গোষ্ঠী থেকে আসা মানুষের সহাবস্থান নীতির বিরুদ্ধে ধৃষ্টতা প্রদর্শন।<br />
তিনি আরো বলেন,’আমি গণভোটের ফলাফলে খুবই আঘাত পেয়েছি। কেননা আমি এমন মুসলিম মাতা-পিতার গর্ভজাত সন্তান যারা মসজিদের মিনারে কোনো রাজনৈতিক ইসলাম দেখেন নি। তারা বরং এটিকে দেখেছেন মুসলিম উপাসনালয়কেন্দ্রিক স্থাপত্যশিল্পের একটি অংশ হিসেবে।<br />
আকিন উল্লেখ করেন, তিনি তার নতুন ফিল্ম’ সোল কিচ ‘ জিউরিখে ১৬-১২-২০০৯ তারিখে অনুষ্ঠিত চলচ্চিত্র উৎসব থেকে সরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন; কারণ, তার ভাষায়,’ আমি সেখানে অনুপস্থিত থেকে আমার বেদনাবিদ্ধ প্রতিবাদের জানান দিতে চাই ‘।<br />
আকিন বলেন,’ আমি মনে করি এই গণভোটের  কারণে আমি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি, এ কারণে সুইজারল্যান্ডে যাব না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।<br />
আকিনের কিছু ছবি কান চলচ্চিত্র উৎসবে বেশ কয়টি পুরস্কার ছিনিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে, যেমন আকাশের প্রান্ত ‘ ২০০৭ -এ<br />
২৯-১১-২০০৯-এ সুইজারল্যান্ডে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যাতে ৫৭% সুইস নাগরিক মিনার নির্মাণ নিষিদ্ধ করার পক্ষে, অপ্রত্যাশিতভাবে  রায় দেয়; কেননা ইতঃপূর্বের অধিকাংশ জনমতজরিপের ইঙ্গিত ছিল ভোটাররা প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেবে।<br />
গণভোটের ফলাফল সংক্রান্ত  অতিসাম্প্রতিক অন্য একটি ঘটনা অনুযায়ী সুইস সিনেট ( সুইস ফেডারাল পার্লামেন্টের সর্বোচ্চ হাউস) তাদের নিজস্ব ওয়েব সাইটে প্রচারিত  অফিসিয়াল ঘোষণা অনুযায়ী ৩-১২-২০০৯ তারিখে তুরুষ্কের সংবাদপত্রে, সংখ্যালঘু মুসলমানদের উদ্দেশ্যে সুইস সিনেটরদের দুঃখ প্রকাশ করার যে সংবাদ প্রচারিত হয়েছে তা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তারা মুসলমানদের উদ্দেশ্যে আদৌ কোনো দুঃখ প্রকাশ করেনি। </p>
<p>মিনার নির্মাণ নিষিদ্ধকরণ ইউরোপীয় মানবাধিকার চুক্তি বিরোধী; কেননা এ চুক্তি অনুযায়ী ইবাদতখানা, প্রার্থনালয় ইত্যাদির পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। ধর্মীয় বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠানের স্বাধীনতা বিষয়ক উক্ত চুক্তির ধারার সাথেও তা সাংঘর্ষিক।<br />
মুসলিম বিশ্ব কর্তৃক সুইজারল্যান্ডকে বয়কট করার প্রস্তুতি<br />
একই ধারাবাহিকতায় ইসিসকোর ডাইরেক্টর জেনারেল আব্দুল আযীয বিন উসমান আততুইজিরি, সুইজারল্যান্ডকে মিনার বিষয়ক সিদ্ধান্তের অশুভ পরিণতি সম্পর্কে বলেন, সুইজারল্যান্ড এ সিদ্ধান্তে অটল থাকলে মুসলিমবিশ্ব তাকে বয়কট করবে। সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকসমূহে রাখা সকল অর্থ তারা সারিয়ে  আনবে।  আততুইজিরি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, আমরা কূটনৈতিকভাবে সুইজারল্যান্ডকে বুঝাতে চেষ্টা করব যে গৃহিত গণভোট একটি বেআইনী পদ্ধতি যা অবিলম্বে বাতিল করা উচিত। আর সুইজারল্যান্ড যা করেছে তা মুসলমানদের মানবাধিকারে চরমভাবে আঘাত; কেননা মুসলমানদের এ অধিকার অবশ্যই রয়েছে যে তারা তাদের ঐতিহ্য অনুযায়ী মসজিদ নির্মাণ করে সেখানে স্বাধীনভাবে নামাজ ও ইবাদত-বন্দেগী পালন করে যাবে।<br />
তিনি সতর্ক করে বলেন, সুইজারল্যান্ড যদি তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে তাহলে সুইজারল্যান্ডকে বয়কট করার জন্য মুসলিমবিশ্বকে উৎসাহিত করা হবে।<br />
সুইজারল্যান্ডের গণভোটের পর মুসলিমবিশ্বে এর বিপক্ষে, কিছুটা শীতল আকারে হলেও, শরু হয় প্রতিবাদ, বিক্ষোভ। আন্তর্জাতিক মুসলিম ওলামা এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ড. ইউসুফ আল কারজাবি বলেন,’গণভোটের ফলাফল মানবাধিকার সনদবিরোধী। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও বহু-সভ্যতা-থিউরি বিরোধী তিনি আরো বলেন যে, সুইজারল্যান্ডের এ গণভোট গণতান্ত্রিক আদর্শ, ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ে সুইস সরকারের জোরালো কণ্ঠের দাবিকে সমূলে নস্যাৎ করে দিচ্ছে। উপরন্তু বিষয়টি সুইস সরকারের বর্ণবাদী চেহারা ও ইসলাম ভীতিকেই উন্মোচিত করেছে।<br />
সুইস সরকারের   জরিপ অনুযায়ী সুইজারল্যান্ডে ৪০০ লক্ষ মুসলমানের বসবাস। যাদের মধ্যে ৫৬.৪% পূর্বের ইউগোসলাভিয়া থেকে আগত এবং ২১% তুরস্ক থেকে এবং ১২% সুইস বংশোদ্ভূত।<br />
সুইজারল্যান্ডে বর্তমানে প্রায় দুইশত ইসলামি সেন্টার ও মসজিদ ও নামাজ কক্ষ রয়েছে যেগুলোতে ইসলামি সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানাদি পালন করা হয়। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://islam.com.bd/blog/archives/29/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মিনারের পর ইউরোপে এবার কুরান নিষিদ্ধের পাঁয়তারা</title>
		<link>http://islam.com.bd/blog/archives/27</link>
		<comments>http://islam.com.bd/blog/archives/27#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 20 Jan 2010 20:18:48 +0000</pubDate>
		<dc:creator>abu soaib</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://islam.com.bd/blog/?p=27</guid>
		<description><![CDATA[গত ২৯ ২৯ নভেম্বর সুইজারল্যান্ডে এক গণভোটের মাধ্যমে মসজিদের মিনার নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত হয়। গণভোটে ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার মিনার নিষিদ্ধকরণ প্রস্তাবের  পক্ষে ভোট দিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক দল সুইস পিপলস পার্টি (এসভিপি) এ গণভোট গ্রহণের  প্রস্তাব রাখে। 
ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ডানপন্থী দলগুলো সুইজারল্যান্ডের গণভোটের ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের মিনার [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>গত ২৯ ২৯ নভেম্বর সুইজারল্যান্ডে এক গণভোটের মাধ্যমে মসজিদের মিনার নির্মাণের ওপর নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত হয়। গণভোটে ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভোটার মিনার নিষিদ্ধকরণ প্রস্তাবের  পক্ষে ভোট দিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক দল সুইস পিপলস পার্টি (এসভিপি) এ গণভোট গ্রহণের  প্রস্তাব রাখে। </p>
<p>ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ডানপন্থী দলগুলো সুইজারল্যান্ডের গণভোটের ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের মিনার বিরোধী গণভোট  মুসলিমবিশ্বে জোরালো কোনো প্রতিবাদের মুখোমুখি হয়নি বললে ভুল হবে না। হলে হয়ত অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে একই কায়দায় গণভোটের মাধ্যমে ইসলামসংলগ্ন বিষয়গুলোর প্রতি নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্যাম্পেইন শুরু হত না। </p>
<p>হলান্ডের কট্টর ডানপন্থী দল ফ্রিডম পার্টির সাংসদ গেরাল্ড ফিল্ডার্স, যিনি ইতঃপূর্বে’ফেতনা ‘ ফিল্ম প্রযোজনা করে ইসলামের প্রতি চরম অসম্মান প্রদর্শন করেছেন, সুইজারল্যান্ডের গণভোট থেকে উৎসাহ পেয়েছেন। তিনি হলান্ড সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন অভিন্ন পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের। হলান্ড রেডিওর ওয়েবসাইটে সুইস জনতার উদ্দেশ্য প্রেরিত উক্ত নেতার অভিনন্দন প্রচার করা হয়, যাতে তিনি সুইজারল্যান্ডের গণভোটের ফলাফলকে চমৎকার বলে আখ্যায়িত করেন। ডাচ জনতাও একই পথ অবলম্বন করে হলান্ডে মিনার নিষিদ্ধ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। হলান্ডে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য তার দল একটি খসড়া আইন প্রণয়নের কাজ করে যাবে  বলে তিনি দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। </p>
<p>ফিল্ডার্স মন্তব্য করে বলেন, ইউরোপ ইসলামিকরণের  ঝুঁকিতে আক্রান্ত। মিনার নিষিদ্ধ করে ইউরোপীয়রা এই প্রথম ইসলামাইজেশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাল। এই কট্টরপন্থী নেতা আল কুরআনকে জার্মান নেতা এডলফ হিটলারের ( My struggle)গ্রন্থের সাথে তুলনা করেন, এবং কুরআনের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জনান। তিনি ইসলামি সংস্কৃতিকে পশ্চাৎপদ সংস্কৃতি বলে আখ্যায়িত করেন। </p>
<p>একই ধারাবাহিকতায় ইটালির কট্টর ডানপন্থী দল নর্দান ইটালীয় লীগ নেতা ও সাংসদ মারিও বুরজিযিও ইটালিতে মিনার নিষিদ্ধের জন্য অভিন্ন পদ্ধতিতে গণভোট গ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি মন্তব্য করে বলেন,’ সুইজারল্যান্ডের খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী থাকার সাহসী পতাকা ইউরোপকে ইসলামিকরণের সকল প্রচেষ্টার উপর দিয়ে পতপত করে উড্ডয়নের জানান দিয়েছে।</p>
<p>বহুল প্রচারিত জার্মান পত্রিকা শাবিজল গত ৩০ নভেম্বরের এক রিপোর্টে বলেছে, জার্মান মন্তব্যকারীরা সুইজারল্যান্ডে দীর্ঘসময় জুড়ে পরিচালিত মুসলিমবিরোধী প্রচারণাকে দুঃখজনক বলে আখ্যায়িত করেন। এ প্রচারণনার অন্যতম কৌশল স্বরূপ মুসলমানদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী পোস্টার সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, যার  একটিতে দৃষ্টিকটুভাবে উপস্থাপিত হয়েছে সুইস পতাকাকে ছাপিয়ে মিসাইল সদৃশ বহু মিনার দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য। আরেকটিতে খচিত ছিল বোরকা-নেকাব আচ্ছাদিতা এক নারীর চিত্র যা, শুধু যে কেবল সুইসদের ইসলাম ভীতিকেই নির্দেশ করছে তাই নয়, বরং বিগত বছরগুলোতে সুইজারল্যান্ড যে অবনতির শিকার হয়েছে এবং নিজেদের আত্মবিশ্বাস যে চরম ঝাঁকুনির সম্মুখীন হয়েছে, তাকেই নির্দেশ করছে দৃষ্টিগ্রাহ্য আকরে। তবে তিনি তার মন্তব্যে এও বলেছেন যে, জার্মান  পর্যবেক্ষকদের অভিমত অনুযায়ী, যদি জার্মানিতেও মিনার নিষিদ্ধকরণের ইস্যুতে গণভোট নেয়া হয় তবে জার্মানরাও অভিন্ন পথ অবলম্বন করবে বলে ধারণা। </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://islam.com.bd/blog/archives/27/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ও ইসলাম</title>
		<link>http://islam.com.bd/blog/archives/19</link>
		<comments>http://islam.com.bd/blog/archives/19#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 12 Jan 2010 10:16:59 +0000</pubDate>
		<dc:creator>ত্রিভুজ</dc:creator>
				<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://islam.com.bd/blog/?p=19</guid>
		<description><![CDATA[ইদানিং রাজনীতির অঙ্গনে যে শব্দগুলো খুব বেশি শোনা যায় তার ভেতরে একটি হচ্ছে &#8220;ধর্মভিত্তিক রাজনীতি&#8221;। সত্যি কথা বলতে কি, &#8220;ধর্মভিত্তিক&#8221; শব্দটার ভেতরেই একটু গলদ আছে। দুই কলম পড়াশোনা আছে কিন্তু &#8216;ইসলাম&#8217; সম্পর্কে ধারণা ধোঁয়াটে এরকম যেকারোই &#8220;ধর্মভিত্তিক রাজনীতির&#8221; বিপক্ষে অবস্থান থাকা স্বাভাবিক। এর কারণ অনুসন্ধান করতে হলে ধর্মের নামে যে অত্যাচার আর সন্ত্রাস খ্রিস্টানরা করে [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ইদানিং রাজনীতির অঙ্গনে যে শব্দগুলো খুব বেশি শোনা যায় তার ভেতরে একটি হচ্ছে &#8220;ধর্মভিত্তিক রাজনীতি&#8221;। সত্যি কথা বলতে কি, &#8220;ধর্মভিত্তিক&#8221; শব্দটার ভেতরেই একটু গলদ আছে। দুই কলম পড়াশোনা আছে কিন্তু &#8216;ইসলাম&#8217; সম্পর্কে ধারণা ধোঁয়াটে এরকম যেকারোই &#8220;ধর্মভিত্তিক রাজনীতির&#8221; বিপক্ষে অবস্থান থাকা স্বাভাবিক। এর কারণ অনুসন্ধান করতে হলে ধর্মের নামে যে অত্যাচার আর সন্ত্রাস খ্রিস্টানরা করে গিয়েছে সেগুলো সম্পর্কে জানতে হবে। &#8220;মৌলবাদ&#8221; শব্দটার উৎপত্তি কোথা হতে তাও জানতে হবে। সেসব ইতিহাস লব্ধ জ্ঞান &#8220;ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি&#8221;-তে আমাদের উৎসাহ দেয়া তো দূরের কথা, বরঞ্চ রাষ্ট্র পরিচালনা বা রাজনীতিতে ধর্মীয় মতবাদের প্রধান্য দেয়ার পথে বাঁধা হিসেবে দাঁড়ায়। এমতাবস্থায় ধর্ম ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার যেকোন অধ্যায় বিশেষ করে রাষ্ট্র ব্যবস্থার কথা ভাবতেই অন্ধকার আর খারাপ একটি ব্যবস্থার চিত্র ভেসে ওঠার উপক্রম হয়। কোন একটি ধর্মের অনুসারীরা নিজেদের ধর্ম থেকে বহুযোজন সরে এসে মনগড়া বিধানের দোহাই দিয়ে পৃথিবীতে কি অনাচার সৃষ্টি করেছিলো তা দিয়ে অনেক কিছু যেখানে বিচার করা হচ্ছে সেখানে ধর্মীয় মতাদর্শ থেকে দেশ পরিচালনা তো দূরের কথা ধর্মগুরুদের প্রাধান্যের কথা ভাবাটাই কষ্টকর। অথচ এই আমরা যদি জ্ঞান আহরনের পথে আরেকটু উদার হতে পারতাম, আরো অধিক জ্ঞান পিপাসা আমাদের থাকতো তা হলে নিঃসন্দেহে এক দলের সীমাবদ্ধতা ও ইতিহাস দিয়ে সামগ্রিক ভাবে ধর্মকে বিচার করতে যেতাম না। কোন এক ধর্মের অপব্যাখ্যাকারী ও বিকৃতকারীদের সৃষ্ট নৈরাজ্য থেকে ধর্মভিত্তিক জুজুর সৃষ্টি হতো না।<span id="more-19"></span></p>
<p>ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতির বিষয়ে আবার ফিরে আসি। ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি করা যাবে কি যাবে না এই আলোচনা করার আগে ইসলামের সাথে রাজনীতির সম্পর্কে তা বুঝতে দুইকলম জ্ঞান আহরণ করা উচিত। রাজনীতির সাথে ইসলামের সম্পর্ক জানতে হলে যে জ্ঞান প্রথমেই অর্জন করতে হবে সেটি হচ্ছে, &#8220;ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন ব্যবস্থা&#8221;। জীবনের এমন কোন দিক নেই যে-বিষয়ে ইসলামের দিক্‌-নির্দেশনা পাওয়া যায় না। প্রতিদিন সকালে ঘুমভাঙার পর থেকে ঘুমানো পর্যন্ত, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিটি বিষয়ে পরিষ্কার গাইডলাইন প্রদান করা জীবন ব্যবস্থার নাম ইসলাম। রাজনীতি যেহেতু জীবনের বাইরের কোন বস্তু নয় সেহেতু পরিপূর্ন এই জীবন ব্যবস্থা রাজনীতিতেও আমাদেরকে পথ প্রদর্শন করে। কিন্তু এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত না জানার ফলে অজ্ঞদের কাছ থেকে আসা সিদ্ধান্তগুলো ভুল হওয়াই স্বাভাবিক। কোন কিছু সম্পর্কে ভাসা ভাসা জ্ঞান থেকে কোন সিদ্ধান্তে আসা ও ইতিহাসের কিছু চিত্র দিয়ে সমগ্র মানবজাতির ইতিহাস ও ঘটনাকে মূল্যায়ণ করা বোকামী ছাড়া আর কিছুই নয়। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য হোক আর নিজেদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থেকেই হোক আমরা বরাবরই এই বোকামী করে আসছি।</p>
<p>বিভিন্ন দিক বিচার বিশ্লেষণ না করলে ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে অনেক যুক্তিই দাঁড় করানো সম্ভব। আমাদের ভেতরে বেশির ভাগই যেখানে নিজেদের বুদ্ধি বিবেচনার উপরে ভরসা নেই, অন্যদের দেখে ও অন্যদের মাথাকে নিজের মাথা ভেবে তাদের কথাকে কোন রকম চিন্তা ভাবনা না করেই মেনে নেয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠেছে সেহেতু এটা খুব স্বাভাবিক যে একটা বিশাল জনগোষ্ঠী এবং ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের পক্ষে রায় দিচ্ছে এবং দিবে। আগেই বলেছি, ইসলামী রাজনীতি কেন নিষিদ্ধ হওয়া উচিত না তা বোঝার জন্য ইসলাম আসলে কি এবং ইসলামের ব্যাপ্তি কতটুকু সেটা জানা জরুরি। আর যেহেতু ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধকারীদের মিছিলের বেশিরভাগই হয় ইসলাম বিদ্বেষী অথবা ইসলাম সম্পর্কে প্রায় অজ্ঞ সেহেতু তাদের পক্ষে সত্যিকার অর্থেই বিষয়টা অনুধাবন করা কষ্টকর। খুব সহজ ভাষায় বিষয়টি তাদেরকে বোঝানোর জন্য বলা যেতে পারে যে- কমিউনিজম, সেক্যুলারিজম এবং আরো বিভিন্ন ধরনের মতবাদের ভিত্তিতে যেমন রাজনীতি হতে পারে তেমনি ইসলামি সিস্টেমেও তা করা যেতে পারে, কারণ ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন ব্যবস্থা। সুতরাং অন্যসকল মতবাদের পাশাপাশি ইসলামি মতবাদও উপস্থান করার সুযোগ রাখতে হবে। মানুষের তৈরি বিভিন্ন মতবাদ যেখানে রাজনীতির হাতিয়ার হতে পারে তা হলে &#8216;পরিপূর্ন জীবন বিধান&#8217; ইসলামও এই রাস্তায় তাদের সাথে পাল্লা দিতে পারে, পারা উচিত। রেসের ময়দানে কমিউনিজম আর সেক্যুলারিজমের ঘোড়ার সাথে ইসলামের ঘোড়াও পাল্লা দেয়ার অধিকার আছে । কোন ঘোড়া রেসে কেমন পারফর্ম করছে বা কোন ঘোড়া অধিকতর উপযোগী ও কার্যকরী সেটা রেসে নামার পর বিবেচনা করা যাবে। কিন্তু রেসের আগেই প্রতিপক্ষের ঘোড়াকে ময়দান থেকে সরিয়ে দেয়াটা অবশ্যই সুস্থ্য চর্চা নয়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://islam.com.bd/blog/archives/19/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সোয়াইন ফ্লু সম্পর্কে জরুরি ১০ বিষয়</title>
		<link>http://islam.com.bd/blog/archives/6</link>
		<comments>http://islam.com.bd/blog/archives/6#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 10 Jan 2010 11:10:17 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কোডার</dc:creator>
				<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://islam.com.bd/blog/?p=6</guid>
		<description><![CDATA[সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধে ও সচেতনতা গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস এন্ড প্রিভেনশন থেকে ১০টি পরামর্শ দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি:
১. প্রথমত এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই: এখন পর্যন্ত সোয়াইন ফ্লু সাধারণ ফ্লু থেকে মারাত্মক আকার ধারণ করেনি। আর নতুন সোয়াইন ফ্লুতে যতজন হাসাপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং মারা গেছে সেটা সাধারণ ফ্লুর মৃতের চেয়ে বেশি [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধে ও সচেতনতা গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস এন্ড প্রিভেনশন থেকে ১০টি পরামর্শ দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি:<br />
১. প্রথমত এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই: এখন পর্যন্ত সোয়াইন ফ্লু সাধারণ ফ্লু থেকে মারাত্মক আকার ধারণ করেনি। আর নতুন সোয়াইন ফ্লুতে যতজন হাসাপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং মারা গেছে সেটা সাধারণ ফ্লুর মৃতের চেয়ে বেশি নয়।<br />
২.আক্রান্ত হয় বিশেষ বয়সী লোক: সোয়াইন ফ্লুতে যারা বেশি আক্রান্ত হয় তারা হচ্ছে ১২ বছরের কম শিশু, গর্ভবতী মহিলা, যাদের এজমা, ডায়াবেটিকসসহ হৃদরোগ রয়েছে। কিশোর-কিশোরী এবং প্রাপ্ত বয়স্করাও ফ্লুতে আক্রান্ত হতে পারে।<br />
৩. ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে: সাধারণ ফ্লুর মতোই এ সোয়াইন ফ্লু কফ ও হাঁচির মাধ্যম্যে ছড়ায়, এজন্য ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ওপর জোর দেয়া হচ্ছে।<br />
৪. দ্রুত টিকা নিতে হবে: টিকা সরবরাহ কম থাকলে ৬ মাস থেকে ২৪ বছর বয়সীদের, গর্ভবতী নারী ও ¯^v¯’¨ কর্মীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা নিয়ে নিতে হবে। সোয়াইন ফ্লুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।<br />
৫. নিজেকেই আগে পদক্ষেপ নিতে হবে: অক্টোবরের মধ্যে বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হবে। তাই নিজের প্রস্তুতি নিজেকেই নিতে হবে। নিকটস্থ সেবা কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ¯^v¯’¨ বিষয়ে জানতে হবে।<br />
৬. ক্ষণিকের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে হবে: নিরাপদ হওয়ার জন্য তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। টিকার কার্যকর প্রভাব পড়তে তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।<br />
৭. টিকা নেয়া যেতে পারে: ¯^v¯’¨Kg©x‡`i মতে সোয়াইন ফ্লুর টিকা নেয়া নিরাপদ এবং কার্যকরী। ফ্লু প্রতিরোধে আগেই টিকা নিয়ে নিশ্চিত হওয়া যেতে পারে। কারণ টিকা আবিষ্কারকরা এসব টিকার কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেছেন।<br />
৮. পার্শ্ববর্তী মানুষদের সহায়তা করতে হবে: যদি টিকা নেয়ার আগেই আপনার এলাকায় সোয়াইন ফ্লুর প্রাদুর্ভাব ঘটে তবে আপনাকে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। জনাকীর্ণ এলাকা পরিহারের চেষ্টা করতে হবে। হাত পরিষ্কার রাখতে হবে। এজন্য চোখ নাক এবং মুখে হাত কম ব্যবহার করাই ভালো হবে।<br />
৯. যদি আপনি অসুস্থ হয়ে পড়েন: আপনার যদি শারীরিক সমস্যা থাকে বা গর্ভবতী হন এবং এসময় সোয়াইন ফ্লুর লক্ষণ দেখা দেয় সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। ওষুধ হিসেবে তামিফ্লু বা রেলেজা ব্যবহার করা যেতে পারে। লক্ষণ দেখা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ওষুধের ব্যবহার ক্ষতির মাত্রা কমাতে পারে।<br />
১০. শুকর থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। </p>
<p>(সংকলিত)</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://islam.com.bd/blog/archives/6/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সাইট সাময়িক বন্ধ ঘোষণা</title>
		<link>http://islam.com.bd/blog/archives/3</link>
		<comments>http://islam.com.bd/blog/archives/3#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 23 Dec 2009 09:58:50 +0000</pubDate>
		<dc:creator>কোডার</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[আকিদা]]></category>
		<category><![CDATA[আল হাদিস]]></category>
		<category><![CDATA[আল-কোরআন]]></category>
		<category><![CDATA[ঘোষণা]]></category>
		<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://islam.com.bd/blog/?p=3</guid>
		<description><![CDATA[আপডেট-২৩শে ডিসেম্বর &#8216;০৯: ইনশা&#8217;আল্লাহ আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন সাইটটি উন্মুক্ত করা হবে। আমরা সকলের কাছে দোয়াপ্রার্থী।
ইসলাম ডট কম ডট বিডি সাইট পুন:নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে বিধায় কিছুদিনের জন্য সাইটে নতুন সদস্য ও নতুন পোস্ট গ্রহণ করা হবে না। ইনশাল্লাহ অল্প সময়ের মধ্যেই সাইটটি নতুন আঙ্গিকে সকলের জন্য উন্মক্ত করা হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য আমরা [...]]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আপডেট-২৩শে ডিসেম্বর &#8216;০৯: ইনশা&#8217;আল্লাহ আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই নতুন সাইটটি উন্মুক্ত করা হবে। আমরা সকলের কাছে দোয়াপ্রার্থী।</p>
<p>ইসলাম ডট কম ডট বিডি সাইট পুন:নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে বিধায় কিছুদিনের জন্য সাইটে নতুন সদস্য ও নতুন পোস্ট গ্রহণ করা হবে না। ইনশাল্লাহ অল্প সময়ের মধ্যেই সাইটটি নতুন আঙ্গিকে সকলের জন্য উন্মক্ত করা হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।</p>
<p>বিঃদ্রঃ এর ভেতরে কেউ নতুন লেখা জমা দিতে চাইলে moderator.islam.com.bd@gmail.com এ মেইল করে দিন। সাইট নতুন আঙ্গিকে শুরু হওয়ার সময় আপনার নামে তা পোস্ট করে দেয়া হবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://islam.com.bd/blog/archives/3/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
